
নিজস্ব প্রতিবেদক
আন্তর্জাতিক গবেষণাক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি অর্জন করেছেন বাংলাদেশের গবেষক ও শিক্ষক ড. মো. নুরুল ইসলাম। ২০২৬ সালে Scholarly Index-এর প্রকাশিত প্রোফাইল অনুযায়ী, তিনি বিশ্বের শীর্ষ ১,০০০ গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। গবেষণার প্রভাব ও সংশ্লিষ্ট সূচকের ভিত্তিতে এ স্বীকৃতি তাঁর আন্তর্জাতিক গবেষণা কার্যক্রমের পরিচিতিকে আরও বিস্তৃত করেছে।
বর্তমানে ড. মো. নুরুল ইসলাম মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি অব মালায়ার (University of Malaya) লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সায়েন্স বিভাগে পোস্টডক্টরাল গবেষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের খুলনা খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যুক্ত রয়েছেন। তিনি থাইল্যান্ডের শিনাওয়াত্রা বিশ্ববিদ্যালয়েরও গবেষণা ফেলো।
ড. নুরুল ইসলাম ২০২৪ সালে চীনের নানজিং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট থেকে লাইব্রেরি, ইনফরমেশন অ্যান্ড আর্কাইভস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বিগ ডেটা, ডিজিটাল রূপান্তর, গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা এবং বিবলিওমেট্রিক বিশ্লেষণ।
তাঁর জীবনবৃত্তান্ত অনুযায়ী, তিনি ৪৬টি গবেষণা প্রবন্ধ, ৩০টি Conference Paper এবং সাতটি বইয়ের অধ্যায় প্রকাশ করেছেন। তাঁর একাধিক গবেষণা Scopus ও Web of Science-এ Indexed হয়েছে। গ্রন্থাগারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ, বাংলাদেশের সরকারি গণগ্রন্থাগারের ডিজিটাল রূপান্তর এবং গবেষণায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার তাঁর উল্লেখযোগ্য গবেষণার বিষয়।
২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি অব মালায়ায় বিবলিওমেট্রিক গবেষণাবিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবেও অংশ নেন তিনি। এ ছাড়া বাংলাদেশে গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞান শিক্ষার উন্নয়ন, গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে তাঁর কার্যক্রম রয়েছে।
ড. নুরুল ইসলামের এ স্বীকৃতি বাংলাদেশের গবেষকদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের গবেষণাকর্ম তুলে ধরার সম্ভাবনাকে নতুন করে সামনে এনেছে। একই সঙ্গে তথ্যবিজ্ঞান, গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিনির্ভর গবেষণায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির গুরুত্বও তুলে ধরে।
আপনার মতামত লিখুন :